পর্তুগালে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এম মাহফুজুল হকের পরিচয়পত্র পেশ

পর্তুগালে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম মাহফুজুল হকের দেশটির রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। গত ৩১ মার্চ রাজধানী লিসবনে অবস্থিত পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন প্যালাসিও দ্যা বেলেম-এ আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি মারসেলো রেবেলো ডে সজার কাছে রাষ্ট্রদূত তার পরিচয়পত্র পেশ করেন।
বিজ্ঞাপন
রাষ্ট্রদূত মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে বাংলাদেশ ভবন থেকে প্রথমে প্রাসা দো ইম্পেরিও (জেরোনিমোস)-এ প্রথম গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরে প্যালাসিও দ্যা বেলেম প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এসময় বাংলাদেশ ও পর্তুগালের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
পরিচয়পত্র পেশের পর পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের মধ্যে এক সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত এম মাহফুজুল হক পর্তুগালের রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি মারসেলো রেবেলো ডে সজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রপতি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বিশেষ করে বাণিজ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ওপর আলোকপাত করেন।
এ ছাড়া পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতি পর্তুগালের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। পর্তুগালে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি রাষ্ট্রদূতকে সব ধরনের সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। অপরদিকে পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি মারসেলো রেবেলো ডে সজা রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে পর্তুগাল সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
এই পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রদূত এম মাহফুজুল হকের পর্তুগালের অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হলো। গতবছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশ থেকে পূর্ববর্তী রাষ্ট্রদূতদের সরিয়ে নেন এবং ইতোপূর্বে দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেন।
এসএসএইচ