বিজ্ঞাপন

সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষের পর গ্রেপ্তার ৩, দেশীয় অস্ত্রের সঙ্গে বন্দুক উদ্ধার

সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষের পর গ্রেপ্তার ৩, দেশীয় অস্ত্রের সঙ্গে বন্দুক উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্র এবং একটি দেশীয় তৈরি একনলা কাটা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম। 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- সাদেক (২৯), কামরুল (৩৯) ও হানিফ (৩৪)। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সীতাকুণ্ডে পৃথক জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় কয়েকজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

ঘটনার পর চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ অস্ত্র প্রদর্শনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সাদেক, কামরুল ও হানিফকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১১টি ধারালো ছুরি, তিনটি কিরিচ, একটি দা ও ১৫টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। পরে আরও একটি দেশীয় তৈরি একনলা কাটা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শনের ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে দলের বা যে গ্রুপের হোক কিংবা যে রাজনৈতিক পরিচয়ই ব্যবহার করুক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। সংঘর্ষ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযানও চলমান রয়েছে।’ 

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

এএইচ/আরএফ