ওষুধের দাম বেঁধে দেওয়ার পক্ষে ৯৭ শতাংশ মানুষ

প্রতিদিন জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য খবর প্রকাশিত হয়। এখানে আলোচিত কিছু খবরের সংকলন করা হলো।
বিজ্ঞাপন
প্রথম আলো
মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞায় কেউ হবেন মুক্তিযোদ্ধা, কেউ সহযোগী
বিজ্ঞাপন
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁরা দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে রণাঙ্গনে সরাসরি যুদ্ধ করেছেন এবং যাঁরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন, শুধু তাঁরাই ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার’ স্বীকৃতি পাবেন। এর বাইরে যাঁরা দেশে-বিদেশে থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, বিশ্বজনমত তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন, তাঁরা হবেন ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন সংশোধন করে নতুন যে অধ্যাদেশ হতে যাচ্ছে, তাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছিল ২০২২ সালে। সর্বশেষ সংজ্ঞায় মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন এবং যাঁরা বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, তাঁদের সবাইকে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
সমকাল
বেতন-ভাতা নিয়ে অনিশ্চয়তা, হতাশার ঈদ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের
এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা ইএফটির নানা জটিলতার কারণে বেতন আটকে গেছে দেশের হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর। কেউ তিন মাস, কেউ দুই মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। রাষ্ট্রীয় চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের অর্থ বিতরণ করা হয়। ঈদের আগে মাত্র এক দিন (২৭ মার্চ) ব্যাংকের কর্মদিবস রয়েছে। এদিনও বেতন না পেলে হতাশায় ঈদ পার করতে হবে তাদের।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বর থেকে বেতন বাকি ছিল অন্তত ১৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চম লটে বেতন ছাড় করা হয়েছে ৪ হাজারের মতো শিক্ষক-কর্মচারীর। দুই মাসের (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) বেতন ব্যাংক হিসাবে যাওয়ার খুদে বার্তা (এসএমএস) পেয়েছেন তারা। ১০ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী ডিসেম্বর-জানুয়ারির বেতন পাননি। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারির বেতন ও ঈদ বোনাস পাননি পৌনে ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী।
কালের কণ্ঠ
১৫ বছরে নতুন মুক্তিযোদ্ধা ১৮১৬৮
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনকালে ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৯০টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সভার মাধ্যমে নতুন করে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তি ও যাচাই-বাছাই করা হয়। জামুকা বলছে, এ সময় সভাগুলোতে ১৮ হাজার ১৬৮ জনকে নতুন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে। একই সময়ে পাঁচ হাজার ৯৮৭ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশও করা হয়েছে।
বণিক বার্তা
পাকিস্তান আমলের স্বৈরতন্ত্রের মডেল অনুসৃত হয়েছে বাংলাদেশেও
ইস্কান্দার মির্জাকে এক সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের শাসনভার হাতে তুলে নেন আইয়ুব খান। এর পর এক দশকেরও বেশি সময় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখতে তিনি সক্ষম হয়েছিলেন। তার স্বৈরশাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার কারিকর হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে সিএসপি (সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান) আমলাতন্ত্র ও এলিট সামরিকতন্ত্র। শুধু আইয়ুব খান নন, পাকিস্তানে তার পরে ক্ষমতায় আসা স্বৈরশাসকদেরও ক্ষমতার বড় ভরকেন্দ্র ছিলেন এলিট সিএসপি ও মিলিটারি কর্মকর্তারা।
যুগান্তর
লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালু সময়ের দাবি
বিগত সরকারগুলোর অনীহা আর আন্তর্জাতিক জটিলতায় আটকে আছে লালমনিরহাট বিমানবন্দরের কার্যক্রম। বিমানবন্দরটি জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূকৌশলগত কারণে দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বেশ কয়েকবার চালুর উদ্যোগ নিলেও নানা কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও এভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অর্থনীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্প-বাণিজ্য প্রসার এবং ভৌগোলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সব হিসাব-নিকাশ পালটে দিতে পারে এই বিমানবন্দর। এটি চালু হলে চীন, ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে আঞ্চলিক হাব হিসাবে গড়ে উঠবে। এতে বাংলাদেশের উন্নয়নে খুলবে উত্তরের দুয়ার। এ অবস্থায় দেশি-বিদেশি চাপ উপক্ষো করে দেশের স্বার্থে এই বিমানবন্দর দ্রুত চালু করা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
আরও পড়ুন
আজকের পত্রিকা
ভিসা জটিলতায় অনিশ্চিত ৩৫০০০ মানুষের ওমরাহ
প্রস্তুতি নিলেও ওমরাহ পালন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রায় ১ লাখ বাংলাদেশির। সৌদি আরব সরকার ওমরাহ ভিসা কমিয়ে দেওয়ায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
উড়োজাহাজের টিকিট, সৌদি আরবে বাড়ি বা হোটেল বুকিং দিয়েও নির্ধারিত সময়ে ভিসা না পাওয়ায় ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের পাশাপাশি ওমরাহ এজেন্সিগুলোও আর্থিক ক্ষতিতে পড়েছে। এয়ারলাইনসগুলোও সমস্যায় পড়ছে। হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করলেও এখনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
দেশ রূপান্তর
তাপমাত্রা-ডলার সমীকরণে মিলবে বিদ্যুতে স্বস্তি
অন্যান্যবার রমজান মাসে ঘন ঘন লোডশেডিং থাকলেও এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে স্বস্তিতে ছিল দেশের সাধারণ মানুষ। কিন্তু আসছে গ্রীষ্মে গরমের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, তার জোগান দেওয়াই অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল পরিমাণ বকেয়া সেই চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়েছে।
প্রথম আলো
ব্যাংকে যত টাকাই জমা থাকুক না কেন, ফেরত পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ২ লাখ
বাংলাদেশ থেকে লাইসেন্স পাওয়া কোনো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি কোনো কারণে দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে ওই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীরা দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বিমা সুরক্ষা পাবেন। এ সুরক্ষা ‘ক্ষতিপূরণ’ হিসেবে দেওয়া হবে। এত দিন এ ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ছিল এক লাখ টাকা। অধ্যাদেশটি পাস হলে বিদ্যমান ব্যাংক আমানত বিমা আইন-২০০০ বাতিল হয়ে যাবে।
গ্রাহকদের আমানতের টাকার সুরক্ষা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সরকার ‘আমানত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করতে যাচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ অধ্যাদেশের একটি খসড়া তৈরি করে জনগণের কাছ থেকে মতামত চেয়েছে। মতামত দিতে হবে ds.cb@fid.gov.bd-এই ঠিকানায়। তবে মতামত দেওয়ার জন্য কোনো সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি।
সমকাল
ওষুধের দাম বেঁধে দেওয়ার পক্ষে ৯৭ শতাংশ মানুষ
জীবন রক্ষাকারী ১১৭টি ওষুধের দামে সরকারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বাকিগুলো প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ঠিক করে। ফলে এসব ওষুধের দাম দফায় দফায় বাড়লেও কিছুই করার থাকে না। সংকটে পড়তে হয় রোগীদের। কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে সব ধরনের ওষুধের দাম সরকার থেকে বেঁধে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ৯৭ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনমত জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে জরিপের প্রাথমিক প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছে সংস্থাটি। এতে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ১১ ধরনের পদক্ষেপের কথা বলেছেন অংশগ্রহণকারীরা।
কালের কণ্ঠ
রাজধানীসহ সারা দেশে বাসাবাড়ি ও সড়ক-মহাসড়কে ডাকাতি ও দস্যুতা কিছুতেই থামছে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নানা উদ্যোগেও তারা বেপরোয়া। পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ঈদ যাত্রায় এসব অপরাধমূলক ঘটনা ঘরমুখো মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
তবে হাইওয়ে পুলিশ ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।
বণিক বার্তা
জনবল সংকট ও প্রচারের অভাবে ২০০ শয্যার ৬০-৮০% থাকে ফাঁকা
মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানসংলগ্ন লালকুঠি এলাকায় অবস্থিত ২০০ শয্যার মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য হাসপাতাল। স্বল্প মূল্যে হাসপাতালটিতে দেয়া হয় মানসম্মত সেবা। তবে চিকিৎসক-নার্সসহ যথেষ্ট পরিমাণে জনবল না থাকায় এবং প্রচারের অভাবে ২০০ শয্যার এ হাসপাতালের সব শয্যা এখনো পুরোপুরিভাবে চালু করা যায়নি। এতে এখানকার ৬০-৮০ শতাংশ শয্যাই থাকে ফাঁকা। জনবল ঘাটতির কারণে সেবাকাজও বিঘ্নিত হচ্ছে।
রাজধানীর অন্য বিশেষায়িত হাসপাতালগুলো ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে রোগীর সেবা দিয়ে আসছে। অন্যান্য হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেঝে, বারান্দা, সিঁড়ি সব জায়গায় রোগী থাকে। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যায় মিরপুরের এ হাসপাতালে।
আজকের পত্রিকা
জুলাই অভ্যুত্থানের দলিল সংগ্রহে ৩৭ কোটি টাকার প্রকল্প
জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই লক্ষ্যে ‘দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-২০২৪ এর অডিও-ভিজ্যুয়াল দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ’ প্রকল্প তৈরি করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।
এদিকে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের ‘দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের অডিও ভিজ্যুয়াল দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার ২০২১ সালে এ প্রকল্প নিয়েছিল।
দেশ রূপান্তর
ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে ২৬ পয়েন্টে শঙ্কা
পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। ইতিমধ্যে মহাসড়কটির বিভিন্ন অংশে তৈরি হচ্ছে ছোটখাটো যানজট। সংশ্লিষ্টদের শঙ্কা, এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কটির কুমিল্লার অংশে অন্তত ২৬টি পয়েন্টে তীব্র যানজট সৃষ্টি হতে পারে। ফ্লাইওভার, বাজার এলাকা, টোলপ্লাজা ও সংযোগ সড়কের কারণে এই দুর্ভোগের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি জায়গায় ডাকাতের ভয়ও আছে। অবশ্য মহাসড়কের কুমিল্লার অংশ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং মানুষের দুর্ভোগ কমাতে হাইওয়ে পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
এছাড়া গৌরবময় স্বাধীনতা দিবস আজ; মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি কাজ অনুযায়ী; নির্বাচনের আগে গুজবের রূপ ভয়ংকর হতে থাকবে; হামজার অভিষেকে গোল মিসের আক্ষেপ—সংবাদগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।