ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র মিয়ানমার থেকে পাওয়া কঠিন হতে পারে

স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারে হলেও এর কম্পন অনুভূত হয়েছে — বাংলাদেশ, ভারত, লাওস, থাইল্যান্ড এবং চীনেও।
ভূমিকম্পে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা প্রাণহানি কতটা হয়েছে তা সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে তাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে মিয়ানমার থেকে আপডেট কতটা পাওয়া যাবে তা নিয়ে বেশ শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর জন্য বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যার মধ্যে রাজনৈতিক কারণও রয়েছে।
আরও পড়ুন
• মিয়ানমারে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তথ্য সংগ্রহ এবং সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
• সরকার এবং বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের কারণে উদ্ধার কার্যক্রম এবং তথ্য সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি হয়।
• ২০২১ সালে এক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার সামরিক জান্তা দ্বারা শাসিত, যার ফলে তথ্যের প্রবাহ সেখানে কঠিন। রাষ্ট্রটি প্রায় সমস্ত স্থানীয় রেডিও, টেলিভিশন, প্রিন্ট এবং অনলাইন মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
• ভূমিকম্পের ফলে রাস্তাঘাট এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তথ্য সংগ্রহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
• মিয়ানমারে সরকারের অনুমতি ছাড়া তথ্য প্রকাশ করা কঠিন, যা ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র পেতে বাধা সৃষ্টি করবে।
এনএফ