সৌদিতে ৩০ রোজার সম্ভাবনা, পাকিস্তানে হতে পারে ২৯ দিনের

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৯ মার্চ আরব ও ইসলামিক বিশ্বে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখতে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ ওইদিন সূর্যাস্তের আগে চাঁদ অস্ত যাবে এবং চাঁদ সূর্যের সংযোগ ঘটবে সূর্যাস্তের পর। ওইদিন এসব অঞ্চলে থাকবে পবিত্র রমজান মাসের ২৯তম দিন।
খালি চোখে, টেলিস্কোপে অথবা অন্য কোনো উপায়ে আগামী ২৯ মার্চ শাওয়াল বা ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা ‘সম্ভব নয়’ বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।
যেসব দেশ শুধুমাত্র চাঁদ দেখে ঈদ ও রমজানের তারিখ নির্ধারণ করে সেসব দেশে এবারের রমজান মাসটি ৩০ দিনের হতে যাচ্ছে। যার অর্থ মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি এবং ইসলামিক বিশ্বে ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর পালিত হবে। —গত ২০ মার্চ এমনই তথ্য জানিয়েছিল আমিরাতের জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র।
তবে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে রমজান মাসটি ৩০ দিনের হলেও পাকিস্তানে মহিমান্বিত এ মাসটি ২৯ দিনের হতে পারে।
পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগই জানিয়েছে এ তথ্য। তারা বলেছে, পাকিস্তানে ঈদ হতে পারে ৩১ মার্চ। ওই একই দিন মধ্যপ্রাচ্যেও ঈদ হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগের মুখপাত্র বলেছেন, ঈদুল ফিতরের চাঁদের জন্ম হবে ২৯ মার্চ রাত ৩টা ৫৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্তের পর চাঁদটি আকাশে ৭০ মিনিট থাকবে।
পাকিস্তানে চাঁদের অনুসন্ধান করা হবে আগামী ৩০ মার্চ। দেশটিতে যেহেতু ২ মার্চ থেকে রমজান মাস শুরু হয়েছিল। তাই ওইদিন থাকবে রমজানের ২৯তম দিন।
৩০ মার্চ সন্ধ্যায় যখন শাওয়ালের চাঁদের অনুসন্ধান করা হবে তখন অর্ধচন্দ্রটির বয়স থাকবে ২৭ ঘণ্টা। যার অর্থ চাঁদটি ওইদিন খালি চোখে খুব সহজে দেখা যাবে। সে হিসেবে পাকিস্তানে রোজা হবে ২৯টি। কিন্তু সৌদি আরবে হবে ৩০টি।
সূত্র: এআরওয়াই, গালফ নিউজ
এমটিআই