শিশু হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। বোর্ডের প্রধান করা হয়েছে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. একেএম আজিজুল হককে। সদস্য সচিব হিসেবে মনোনয়ন করা হয়েছে শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হককে।
বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ (বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আইন-২০২১ এর ৬(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিচালনার লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে এর পরিচালনা বোর্ড গঠন করা হলো।’
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
১৪ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- বারডেমের অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা অধিশাখার যুগ্মসচিব মো. মহসীন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব শামীমা ফেরদৌস, অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. নজরুল ইসলাম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ হাসান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হুসাইন মো. মইনুল আহসান, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের প্রাক্তন সদস্য ডা. এমএ কামাল, শিশু হাসপাতালের নিওনেটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মনির হোসেন ও জেনারেল পেডিয়াট্রিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রওশন জাহান আক্তার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক (অব.) ডা. শাকিল আহমেদ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) স্থায়ী স্বীকৃতি প্রদান কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন।
বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সভাপতি ও বোর্ডের মনোনীত কোনো সদস্য সরকার বরাবর স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্রে পদত্যাগ করতে পারবেন, পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত এই পদত্যাগ কার্যকর হবে না। তাছাড়া সরকার প্রয়োজনবোধে যে কোনো সময় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করে সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যদের মনোনয়ন বাতিল করতে পারবে।
এতে আরও বলা হয়, বোর্ড প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোনো একজন ব্যক্তিকে বোর্ডের সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে, তবে কো-অপ্ট সদস্যের কোনো ভোটাধিকার থাকবে না।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কোনো কারণে সভাপতি তার দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে বা সভাপতির পদ শূন্য হলে সভাপতি দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হওয়া পর্যন্ত বা শূন্য পদে নতুন সভাপতি নিয়োগপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকার বোর্ডের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে সভাপতির দায়িত্ব পালনের আদেশ প্রদান করবেন, তবে এ আদেশের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক হবে না।
টিআই/এমএসএ