নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের সুবর্ণ সুযোগ এসেছে

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আমরা একটি খারাপ সময় পার করেছি। খারাপ নির্বাচনের জন্য আমাদের সবার ভাবমূর্তি ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। আমাদের সামনে সেই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। আমি নিশ্চিত সবাই এই সুযোগ গ্রহণ করবেন।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে নীলফামারী সরকারি কলেজ হল রুমে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, একটা ভালো নিবাচনের পূর্ব শর্ত হচ্ছে একটা ভালো ভোটার তালিকা। শুদ্ধ নির্ভুল ভোটার তালিকা। আমাদের যে ভোটার তালিকা আছে সেই ভোটার তালিকাটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের লেখালেখি হয়েছে। বিভিন্ন রকম ধারণা তৈরি হয়েছে। অনেকে বলে ভুয়া ভোটার তালিকা, কেউ বলে ভৌতিক ভোটার তালিকা। এটা নিয়ে কৌতুক করে অনেকে বলে থাকে চাচা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখে তার স্ত্রী ১০ বছর আগেই যিনি মারা গেছেন তিনি এসে ভোট দিয়ে গেছেন। তখন চাচা বলেন আহারে ১০ বছর হয় আমার সাথে দেখা করতে আসলে না। কিন্তু ভোটের সময় ঠিকই আসলে, তাও একটাবার দেখা করে গেলে না। আমরা কৌতুকের পর্যায়ে নিয়ে গেছি ভোটার তালিকাকে। এখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। খুব যে অস্বাভাবিক ভুল আছে সেটিও বলা যাবে না। তবে যেইটুকু ভুল আছে সেটিও কাটিয়ে উঠতে হবে।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনে চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনে তো কিছু চ্যালেঞ্জ থাকে। তবে এবারের নির্বাচনে আমরা চ্যালেঞ্জের থেকে সুবিধা বেশি দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানে যেসব রাজনৈতিক দল মাঠে-ময়দানে নির্বাচনের কথা বলছে, তারা দীর্ঘদিন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সঠিক, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ইত্যাদি বিষয় নিয়েই দাবি তুলেছে। আমার মনে হয়, আমাদের সময় এসেছে তাদের কাছে দাবি করা যে আপনারা এত দিন ধরে যে দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছেন, আমাদের ওই দাবি পূরণ করার সুযোগ করে দেন।
তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও নতুন ভোটারদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাহাবুবুর রহমান ভূঁইয়া, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।
আরএআর