সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৩৯/৮ (নিশাঙ্কা ৪৬, মেন্ডিস ২৭, আসালাঙ্কা ২২, করুনারত্নে ১৪*; জাই রিচার্ডসন ২০-২, অ্যাগার ১৪-১, জ্যাম্পা ২৬-১)
অস্ট্রেলিয়া: ১৮.১ ওভারে ১৪৩/৪ (অ্যাগার ২৬, ম্যাক্সওয়েল ৪৮*, ইংলিস ৪০; থিকশানা ২০-১, কুমারা ২২-২, চামিরা ৩৩-১)
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে জয়ী
সিরিজ: ৫ ম্যাচ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ৪-০ তে এগিয়ে
ম্যাচসেরা: গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

টি-টোয়েন্টির বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মাটিতে রীতিমতো কঠিন সময়ই কাটছে শ্রীলঙ্কার। আগের তিন টি-টোয়েন্টিতে হেরেছিল। চতুর্থ ম্যাচে খর্বশক্তির অস্ট্রেলিয়াকেও হারাতে পারেনি লঙ্কানরা। বোলাররা লড়াই করলেও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও জশ ইংলিসের দারুণ এক জুটির কাছে হেরে বসেছে দলটি, এবার পরাজয়ের ব্যবধানটা ৬ উইকেটের। তাতেই পাঁচ ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ চোখরাঙানি দিচ্ছে দলটিকে। 

সিরিজ জয় আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। অস্ট্রেলিয়া তাই চতুর্থ ম্যাচে বিশ্রাম দিয়েছিল তিন মূল বোলার মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, জশ হেইজেলউডকে। খর্বশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুরুটা দারুণ হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪১ রান। মাঝের ওভারেও রানের ধারাটা ধরে রাখে দলটি। দশ ওভার শেষ করে ৭৩ রান তুলে। 

পরের ওভারেই বিদায় নেন কুশল মেন্ডিস, সঙ্গীর বিদায়ে খানিকটা নড়বড়ে হয়ে পড়া পাথুম নিশাঙ্কাও আর রানের গতি বাড়াতে পারেননি এরপর। ১৭তম ওভারে যখন বিদায় নিচ্ছেন, তার নামের পাশে তখন যোগ হয়েছে ৪৬ রান, তা করতে বল খেলতে হয়েছে ৪০টি। 

তার বিদায়ের পড় হঠাৎ এক ঝড়ে লঙ্কানরা এলোমেলো হয়ে পড়ে। ১১৬-৩ থেকে ১২২ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলে ৮ উইকেট। তবে শেষ ওভারে চামিকা করুনারত্নের ক্যামিওতে ভর করে শ্রীলঙ্কা ১৩৯ রান তুলতে পারে।

অল্প পুঁজি নিয়েও শ্রীলঙ্কা দারুণ লড়েছে, অজিদের চেপে ধরেছিল শুরু থেকেই। ৪৯ রানে হারিয়ে ফেলে তিন উইকেট। হার তখন চোখরাঙানি দিচ্ছে স্বাগতিকদের। তবে এরপরই গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ইংলিসের ব্যাটে চড়ে সে শঙ্কা উড়িয়ে দেয় লঙ্কানরা। লক্ষ্যের খুব কাছে এসে ইংলিস ফিরলেও ৬ উইকেটের জয় তুলে নিতে কোনো সমস্যাই হয়নি অজিদের। এর ফলে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চারটিতেই হেরে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার এক ধাপ কাছে চলে এসেছে লঙ্কানরা।