বিনামূল্যে খাবার পানিসহ বিপিএলে দর্শকদের জন্য যেসব উদ্যোগ বিসিবির
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সর্বশেষ প্যারিস অলিম্পিকের পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তার সেই অভিজ্ঞতা এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল) কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিপিএলকে আরও আকর্ষণীয় করতে যুক্ত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা এমনটি আগেই জানিয়েছিল বিসিবি।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা বিপিএলের ১১তম আসর। তবে এখন থেকেই বিপিএল আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে বোর্ড। দেশের জনপ্রিয় এই ক্রিকেট লিগের আসন্ন আসরে দর্শকদের জন্যও থাকছে নানা উদ্যোগ। সাধারণত মাঠে বসে খেলা দেখতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সমর্থকদের। বিশেষ করে অতিরিক্ত দামে খাবার কিনে খাওয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আজ (৬ নভেম্বর) বিপিএলের টাইটেল স্পন্সর ঘোষণা অনুষ্ঠানে দর্শকদের নিয়ে আলাদা ভাবনার কথা জানালেন বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। তিনি বলেন, 'আমি চাইবো একজন দর্শক মাঠে ঢোকা থেকে বের হওয়া পর্যন্ত কোনো হেনস্থার শিকার না হয়। খাবারের দাম যেমন হওয়া উচিত তেমন যেন হয়। ওয়াশরুম ব্যবহার থেকে শুরু করে পানি পান..এমনও হতে পারে পানির জন্য কোনো টাকাও দিতে হবে না।'
অর্থাৎ একজন দর্শক পরিবার পরিজন নিয়ে মাঠে এসে যেন নিজের মনে করতে পারেন পুরো আয়োজনকে। যেন তারা পরের দিন আবার মাঠে আসার আগ্রহ পায়।
বিসিবির এই পরিচালক আরও বলেন, 'টিভিতেও যারা খেলা দেখবে তারা যেন ভালো কিছু দেখতে পারে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি বলছি না এক আসরেই টুর্নামেন্ট ওয়ার্ল্ডক্লাস হয়ে যাবে। কিন্তু আগের আসরের চেয়ে ভালো হবে। সামনের বছরগুলোতে আরও ভালো হবে বিপিএলের মান। এবারের বিপিএলে ই-টিকিটের প্রাধান্য থাকবে বেশি, ৮০-৮৫ শতাংশ।'
এ ছাড়া জমকালো উপস্থাপনে ব্র্যান্ডিংয়ে পেরিমিটার ও সাইড স্ক্রিণে স্ট্যাটিক বোর্ডের বদলে এলইডি বোর্ড স্থাপন করা হবে। যা বিশ্বের সেরা সেরা টুর্নামেন্টগুলোতে দেখা যায়।
এর আগে বিপিএলে বিদেশি তারকাদের আনা সম্পর্কে ফাহিম বলেছিলেন, ‘আমি এখনই নাম বলতে পারছি না বা বলতে চাই না। ক্রিকেট হতে পারে বা বাইরের অন্য স্পোর্টসের হতে পারে। স্পোর্টসের বাইরেও হতে পারে। এমন কাউকে এবার দেখতে পারি।’
এসএইচ/এফআই