আমিরাতে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৯ জন জিতলেন তিন লাখ টাকা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রায় তিন শতাধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো তিলাওয়াতে কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৫। শনিবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় আমিরাতের আজমানের উম্মুল মোমেনীন উইমেন্স অ্যাসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার সমাপনী পর্ব।
সমাপনী পর্বে তিনটি আলাদা বিভাগে ২৫ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ৯ জন বিজয়ী হন। বিজয়ীদের মাঝে প্রায় ৩ লাখ টাকার আর্থিক পুরস্কারসহ শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়।
বিজ্ঞাপন
প্রতিযোগিতায় ছোটদের বিভাগের বিজয়ী হয় : আয়শা আক্রাম, উম্মে সাওদা, জাহরা মোবারক; বড়দের বিভাগে : রায়ান মোহাম্মদ, আব্দুল আল নোমান, মিনহাজুল ইসলাম মুর্শেদ; এবং হিফজ বিভাগে : নাজিহা নাউফা, আব্দুল কায়ুম, ফাতেমা তাবাসসুম সামিহা।
আরও পড়ুন
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহাদাত হোসেন। আমিরাত সংবাদ সম্পাদক মুহাম্মাদ ইছমাইলের সঞ্চালনায় আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসাইন খান সুমন স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাকির হোসাইন, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, হাজী শরাফত আলী, মীর কামাল, সালাম খান, রাজা মল্লিক, আবুল বাশার, সৈয়দ আবু আহাদ, করিমুল হক, মাজহারুল ইসলাম, সেলিম রেজা, বদরুল চৌধুরী, কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, রাশেদুর রহমান চৌধুরী, নাজমুল করিম প্রমুখ।
অতিথিরা বলেন, দেশের বাইরে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ালেখা করা বাংলাদেশি শিশুকিশোরদের আরবি ও ধর্মীয় শিক্ষায় উৎসাহিত করতে এধরণের প্রতিযোগিতার আয়োজন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তারা জানান, প্রতিযোগীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিলে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তারা সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হবে।
এ আয়োজনে প্রবাসী শিশু-কিশোরদের কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষায় উৎসাহিত করতে প্রতি বছর রমজানে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের আয়োজনে অংশগ্রহণ করা কেবল সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোররা। যৌথভাবে এই আয়োজনটি করেছে বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম, আমিরাত সংবাদ, ইয়াকুব সুনিক ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ স্পোর্টস ক্লাব। ধর্মীয় শিক্ষায় অবদানের জন্য মীর কামালকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, কোমলমতি শিশু-কিশোরদের কোরআন শিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে এই প্রতিযোগিতা বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। মাসব্যাপী বিচারকদের তত্ত্বাবধানে প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছান, যেখানে বিজয়ী নির্বাচন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রায় তিন শতাধিক প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেন এবং সেখান থেকে বাছাই করে চূড়ান্ত পর্বে ২৫ জন প্রতিযোগী সুযোগ পান।
এমএসএ