নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপের জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের দৈত্যাকার কোরাল। যা নিলামে ২২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকালে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের নামার বাজারের কেফায়েত মৎস্য আড়তে মাছটি নিলামে বিক্রি করা হয়।

জানা গেছে, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের সারোয়ার হোসেন নামে এক জেলে মেঘনা নদীতে সোমবার রাতে জাল ফেলেন। এ সময় জালে বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ  ধরা পড়ে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের নামার বাজারের কেফায়েত মৎস্য আড়তে নিয়ে এলে জাকির হোসেন বিদু কেরানী মাছটি ২২ হাজার টাকায় কিনে নেন। 

কেফায়েত মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. কেফায়েত হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, জেলে সারোয়ার হোসেন আমাদের আড়তে ২০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ নিয়ে আসেন। নিলামে বিদু কেরানী ২২ হাজার টাকায় কোরাল মাছটি কিনে নেন। এখানে প্রায় সময় ১৭/১৮ কেজির ওপরে কোরাল মাছ পাওয়া যায়।

নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আফছার দিনাজ ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন মেঘনা নদী বেষ্টিত। এখানের জেলেরা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। প্রায় বড় বড় মাছ পাওয়া যায় এবং দামও ভালো পাওয়া যায়। তবে এখন ইলিশের ভরা মৌসুমে ইলিশ কম পাওয়া যাচ্ছে। বেশিরভাগ নৌকা ঘাটে বসে আছে। 

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফাহাদ হাসান  ঢাকা পোস্টকে বলেন, মৎস্য সংরক্ষণে সরকারের দেওয়া বিভিন্ন সময়ে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করায় নদী ও সাগরে বড় আকৃতির মাছের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা আশা করছি সামনে জেলেরা বড় আকৃতির মাছ আরও বেশি পাবে। ইলিশের মৌসুম এখনো বাকি আছে। আশাবাদী আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে আরও বেশি ইলিশ পাওয়া যাবে। 

হাসিব আল আমিন/আরকে